সমুদ্র ছেড়ে এখানেও ইলিশ আসে
ওড়ে শঙ্খচিল, পাক খায় বিকেলের স্বর্ণালী রোদে
এখানেও ভাঁটফুল ফোটে সন্ধ্যার ঝিরঝিরি বাতাসে
কচুরি ফুলের নীলাভ শোভায় মুগ্ধ অতিথি বলাকা।
ধানসিঁড়ি আর সন্ধ্যা নদীর জলের বৈশিষ্ট্য-রূপে
আলাদা কোনো কারিশমা আছে কিনা জানিনা
হয়তো সুরঞ্জনার প্রতিরূপে সুমিত্রাই এসেছে এখানে
এই প্রিয় সন্ধ্যা নদীর উত্তরে জারুল গাছের ছায়ায়।
জীবনানন্দ হয়তো আসেনি আমার সন্ধ্যার বালুচরে,
শোনেনি ডাঙার ঝোপে কোকিলের সুস্বাদু কুহুতান,
আমি দেখেছি সন্ধ্যার পাড়ে সুমিত্রার খোঁপাভাঙা চুল
দেখেছি অন্য সুরঞ্জার টানা টানা যুগল দীঘল চোখ।
বিরহ বেদনা বুকে পুষে যাপিত জীবন পিছনে রেখে
সমুদ্র পাড়ি দিয়ে কোথায় হারালো সে! জানিনা
শুধু ক্ষয়িষ্ণু ধরাতলে রেখে যাওয়া ভাগ্যলিপি তার
পাঠ করি আমি,পাঠ করে কালের যতো নিঃসঙ্গ পাখি।
