টাপুর টুপুর শ্রাবণধারা আকাশখানা কালো
সূর্যিঠাকুর মেঘে ঢাকা নিভু নিভু আলো।
গাছপালা সব মহাখুশি দোলায় শাখা সুখে
বৃষ্টিধারা আছড়ে পড়ে মাটি মায়ের বুকে।
খাতা কলম নিয়ে আমি বসি জানলা পাশে
চেষ্টা করি লিখতে কিছু যা মনেতে আসে।
অবাক হয়ে বৃষ্টি দেখি হারায় মাত্রা ছন্দ
লম্ফ-ঝম্ফ দেখি ব্যাঙের কী খুশি আনন্দ!
একটা কাক গাছের ডালে ভিজছে মনের আনন্দে
ভাবছি তখন ওকে নিয়েই লিখবো ছড়া ছন্দে।
ভাবছি আমি, ভাবছি শুধু, দেখছি বৃষ্টিধারা
কাককে নিয়ে লিখতে ছড়া হচ্ছি দিশেহারা!
ঘাড় বেঁকিয়ে বললে সে কাক, ভাবছো অত কী যে
নেমে এসে বৃষ্টিজলে যাও না একটু ভিজে
মন খুশিতে উঠবে নেচে পাবে যে আনন্দ
পেয়ে যাবে মনের মতো ছড়া লেখার ছন্দ।
লম্ফ-ঝম্ফর মাঝে শুনি গ্যাঙর গ্যাঙর ডাক
কী খুশিতে গাইছে যে ব্যাঙ শুনে লাগে তাক।
ভাবি তখন ওদের নিয়েই লিখবো মজার ছড়া
থাকবে সঙ্গে টাপুর-টুপুর ছন্দে বৃষ্টি পড়া।
দেখছি বৃষ্টি ভাবছি আমি চলছে না পেন খাতা
চোখ পাকিয়ে বললে সে ব্যাঙ, তুমি একটা যা তা।
ভেবেই সারা, ছন্দ হারা, লিখছো তুমি কী যে
ঢের আনন্দ পাবে তুমি বৃষ্টি জলে ভিজে।
